সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: সারাদেশের ন্যায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় গত ১৯ শে নভেম্বর (মঙ্গলবার) শহর হতে গ্রামের বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী শ্রমিক ধর্মঘটকে সামনে রেখে আকস্মিকভাবে লবণের দাম বৃদ্ধি করায় জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। সেই সুযোগে কিছু অসাধু পাইকারি ও খুচরা লবণ ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি লবণ ৫০ থেকে ৮০টাকা দরে বিক্রি করা শুরু করে। খবরটি সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়লে তৎক্ষণাৎ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ লিয়াকত আলী শেখ এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শেরপুর সার্কেল) মোঃ গাজীউর রহমানের নেতৃত্বে শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবির, ওসি (তদন্ত) মোঃ বুলবুল ইসলাম এর বলিষ্ঠ ভূমিকায় খাদ্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে বিভিন্ন সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা হইতে ৬০ হাজার টাকা করে নগদ অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এ বিষয়ে নিবার্হী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী শেখের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, লবণ আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ। যা আমাদের দেশেই উৎপাদিত হয়, দেশে লবণের পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রয়েছে, এতে করে লবণের দাম বাড়তে পারে না। আর জনস্বার্থে মাইকে প্রচারের মাধ্যমে এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে লবণের বাজার দর স্বাভাবিক রাখার উদ্বুদ্ধ করা হয়। তারপরও যদি কোন ব্যবসায়ী গুজবে কান দিয়ে লবণ ক্রয়-বিক্রয় করে। তাহলে তাকে আইনের আওতায় এনে জরিমানা ও শাস্তির বিধান করা হবে।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ঘুরে আতঙ্কিত ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় আমরা এমনিতেই সমস্যায় রয়েছি। যার কারণে লবণের দাম বৃদ্ধি হওয়ার খবর পেয়ে আমরা অনেকেই সাধ্যমতো লবণ মজুদ করেছি, যাতে করে পেঁয়াজের মতো দাম বৃদ্ধি পেলেও কোন সমস্যা না হয়।